Skip to main content

বাবা ও এপিএস কাণ্ডে আলোচনায় আসিফ মাহমুদ, কী বলছেন উপদেষ্টা

  বাবা ও এপিএস কাণ্ডে আলোচনায় আসিফ মাহমুদ, কী বলছেন উপদেষ্টা


আলোচনা-সমালোচনার মুখে বাতিল করা হয়েছে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাবা বিল্লাল হোসেনের ঠিকাদারি লাইসেন্স। উপদেষ্টা বিবিসির কাছে দাবি করেছেন, তার বাবা সরল বিশ্বাসে ভুল করেছেন।


এর জন্য সামাজিক মাধ্যমে ক্ষমাও চেয়েছেন উপদেষ্টা। ব্যাখ্যা দিয়েছেন তারা বাবার লাইসেন্স প্রাপ্তির বিষয়টির।


কিন্তু বিষয়টি আলোচনায় না এলে একজন উপদেষ্টার বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিলের বিষয় আসতো কি না, এমন প্রশ্ন তুলছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের কেউ কেউ।


এদিকে, আসিফ মাহমুদ বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেছেন, তার বাবা নিজে ঠিকাদারি কাজ বা ব্যবসা করার জন্য ওই লাইসেন্স করেননি। স্থানীয় একজন ঠিকাদার নিজের সুবিধার জন্য তাকে বুঝিয়ে রাজি করিয়েছিলেন।


"পুরো প্রসেসটা করেছেন ওই ঠিকাদার। আব্বু শুধু সেখানে স্বাক্ষর করেছেন এবং ছবিসহ যে ইনফরমেশন দেয়ার সেগুলো দিয়েছেন," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মি. মাহমুদ।


"স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করতে সুবিধা হবে, এভাবেও বুঝিয়েছিলেন ওই ঠিকাদার। তার কথায় আব্বু সরল বিশ্বাসে লাইসেন্সটা করেছেন আরকি" যোগ করেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা।


বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়ে তার আত্মীয়-স্বজন বা ঘনিষ্ঠদের সুযোগ- সুবিধা গ্রহণের খবর বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এলেও তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার নজির তেমন নেই বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।


সেই বিবেচনায় আসিফ মাহমুদের দিক থেকে 'ভুল সংশোধনের চেষ্টার' প্রশংসা যেমন আছে, তেমনি কিছু প্রশ্নও সামনে এসেছে।


দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ - টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, স্বার্থের দ্বন্দ্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যেভাবে উপদেষ্টা পদক্ষেপ নিয়েছেন সেটি ইতিবাচক।


"তবে, সেই অর্থে ব্যাপক আলোচনা তৈরি না হলে কী হতো, স্বার্থের দ্বন্দ্বের প্রশ্ন এড়িয়ে উপদেষ্টার বাবা সুবিধা নিয়ে যেতেন কি না, সেই প্রশ্নও থেকে যায়," যোগ করেন মি. ইফতেখারুজ্জামান

Comments

Popular posts from this blog

অভিনেতা সিদ্দিককে নিয়ে নির্মাতা জীবনের বিস্ফোরক মন্তব্য

অভিনেতা সিদ্দিককে নিয়ে নির্মাতা জীবনের বিস্ফোরক মন্তব্য টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রাহমান। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার পরে রাজধানী ঢাকার কাকরাইল এলাকায় তাকে মারধর করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ সময় সিদ্দিকের পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়।   বিজ্ঞাপন এ নিয়ে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন নির্মাতা ও অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন। বৃহস্পতিবার (১ মে) ফেসবুকে আইডিতে স্ট্যাটাস দেন তিনি।  শরাফ আহমেদ জীবন ফেসবুকে লিখেন, সব পরিবর্তন ভালো না! কিছু কিছু পরিবর্তন মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। ধরেন, যদি সিদ্দিকের কথাই বলি, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। আমার সঙ্গে অভিনেতা হওয়ার আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আমার ডিরেকশনে কাজও হলো বেশ কটা। তার মধ্যে ‘চৌধুরী সাহেবের ফ্রি অফার’ অন্যতম। ওই সময় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।  বিজ্ঞাপন তিনি আরও বলেন, সিদ্দিক এক সময়, কমেডি আর এক ধরনের ভাড়ামির মিশেলে বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিল। তার এই জনপ্রিয়তাই এক সময় কাল হয়ে দাঁড়ালো। সে আরও লোভী হয়ে উঠল। তার অনেক টাকা, পাওয়ার লাগবে। সে রাজনিতীর মতো সহজ পেশায় নিজেকে নিয়োগ করল। এর পরের ঘটনা আমাদের সবারই মোটামু...

বড় সুখবর পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা, উচ্চতর গ্রেড পাবেন যারা

বড় সুখবর পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা, উচ্চতর গ্রেড পাবেন যারা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরাও উচ্চতর গ্রেড পাবেন বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা ও কর্মচারী এ সুবিধা পাবেন। বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দে ন। এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাকরিজীবীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। সংক্ষুব্ধ চাকরিজীবীদের এই আদেশ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট এ রায় দিয়েছিলেন। পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের প্রদত্ত এসব আর্থিক সুবিধা কোনোক্রমেই ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে দেয়া হবে না। পরবর্তীতে পরিপত্রের এ আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সংক্ষুব্ধ সরকারি চাকরিজীবীরা। সরকারি চাকরিতে নিচের স্তরের কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ সীমিত

হাসিনার কেবিন ক্রু খালেদা জিয়ার ফ্লাইটে! যা ঘটল

  হাসিনার কেবিন ক্রু খালেদা জিয়ার ফ্লাইটে! যা ঘটল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ওই ফ্লাইটে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও মধ্যরাতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দুই কেবিন ক্রুকে। তারা হলেন–আল কুবরুন নাহার কসমিক ও মো. কামরুল ইসলাম বিপোন। বিমান সূত্র জানায়, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ২০২ ফ্লাইটটি। ফ্লাইটে খালেদা জিয়াসহ তার পরিবারের সদস্য ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা থাকবেন। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে শুক্রবার দুপুরে ওই ফ্লাইটে চিফ পার্সার নিশি, ফ্লাইট পার্সার আল কুবরুন নাহার কসমিক, ফ্লাইট পার্সার মো. কামরুল ইসলাম বিপোন এবং জুনিয়র পার্সার রিফাজের নাম চূড়ান্ত করে বিমানের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের সংশ্লিষ্ট ইউনিট। তবে গোয়েন্দা তথ্যে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ভিআইপি যাত্রীর নিরাপত্তার সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উঠে আসায় শুক্রবার মধ্যরাতে তাৎক্ষণিক সিদ...